HealthMen

পলিসিস্টিক ডিম্বাশয় সিন্ড্রোম বা সংহ্মেপে পিসিওএস (PCOS) এমন একটি অবস্থা যা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার জন্য সৃষ্টি হয়। যেখানে মহিলার হরমোন স্তর প্রভাবিত হয় এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে পুরুষ হরমোন উৎপাদিত হয়। এর ফলে মাসিক চক্রে পরিবর্তন আসে এবং গর্ভবতী হওয়া কঠিন হয়ে উঠে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কি কি করনে পিসিওএস হতে পারে তার কারণগুলো-

১। পিসিওএসের পরীক্ষিত কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে, পুরুষ হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি যা ডিম্বাশয়গুলিকে হরমোন উৎপাদন এবং সাধারণত ডিম তৈরি করতে বাধা দেয়।

২। জিনগত কারণ, ইনসুলিনের ভারসাম্যহীতা এবং প্রদাহ সবই অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন উৎপাদনের সাথে সংযুক্ত ও PCOS এর জন্য দায়ী। তাছাড়া ভেজাল খাদ্যের প্রভাব তো আছেই।

এখন আমরা জানবো কি কি লহ্মন দেখে পিসিওএস এর সমস্যা অনুমান করা যায় সেগুলো-

সর্বাধিক সাধারণ পিসিওএস লক্ষণগুলি হলো:

(১) অনিয়মিত পিরিয়ড

(২) পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ

(৩) মুখ এবং দেহে অতিরিক্ত চুল বৃদ্ধি বা হিরসুটিজম

(৪) ত্বকে ব্রণ হওয়া

(৫) অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি

(৬) মাথায় চুল পড়ে যাওয়া বা টাক হওয়ার সম্ভাবনা

(৭) ত্বকের কালচে ভাব

(৮) হরমোনের পরিবর্তনের জন্য কারো কারো মাথাব্যথা হতে পারে।

মেয়েদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওজন বৃদ্ধিজনিত কারণে গর্ভধারণে অসুবিধা হওয়ার সময় PCOS আবিষ্কার করেন।

উপরের লক্ষণগুলো ছাড়াও নিচের লহ্মনগুলোর কোনটি যদি আপনার সাথে মিলা যায় তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন হেলথমেনের মাদ্ধমে।

১। আপনি পিরিয়ড মিস করেছেন এবং আপনি গর্ভবতী নন।

২।আপনার পিসিওএসের লক্ষণ রয়েছে যেমন আপনার মুখ এবং শরীরে চুল বৃদ্ধি।

৩। আপনি 12 মাসেরও বেশি সময় ধরে গর্ভবতী হওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু সফল হতে পারেন নি।

৪। আপনার ডায়াবেটিসের লক্ষণ রয়েছে যেমন অতিরিক্ত তৃষ্ণা বা ক্ষুধা, ঝাপসা দৃষ্টি, বা অব্যক্ত ওজন হ্রাস।

উপরের যেকোন লহ্মন প্রকাশ পেলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এহ্মেত্রে হেলথমেনের গাইনোকলোজিস্ট আপনাকে যথাযথ পরামর্শ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন সবসময়। এপইয়েন্টমেন্ট নিতে মেসেজ করুনঃ m.me/healthmen.services অথবা কল করুন এই নাম্বারেঃ +8801311040092.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
X