HealthMen

লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়। লিভারের সব কোষের শতকরা ৫ ভাগের বেশি কোষের মধ্যে চর্বি জমা হলে তাকে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ বলে। ফ্যাটি লিভারের সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না। সাধারনত, পেট ফুলে যাওয়া,বুক ভারী হওয়া,ক্ষুধা হ্রাস,পেটে বেশি গ্যাস হওয়া, দুর্বলতা এবং অলসতা। এই সময় যথাযথ চিকিৎসা না করলে লিভারে প্রদাহ হয়ে লিভার ফাইব্রোসিস হতে পারে। এমনকি প্রদাহ না হয়েও সরাসরি লিভার ক্যানসার হতে পারে। সুতরাং এ ধরনের অসুবিধা খেয়াল করলে দেরি না করে একজন বিষেশজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা অনলাইনে পেতে মেসেজ করুন হেলথমেন এঃ m.me/healthmen.services অথবা ডায়েল করে 01311040092 নম্বরে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কি কি কারনে ফ্যাটি লিভার হতে পারে?

★ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস

★অত্যধিক স্থূলতা

★রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি

★অ্যালকোহল সেবন

★ফ্যাটি লিভার শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন বি এর অভাবের কারণে ঘটতে পারে।

★দূষিত মাংস খাওয়ার ফলে লিভারের ফ্যাট হতে পারে।

★অতিরিক্ত জাংক ফুড ও কোমল পানীয় পান

★থাইরয়েড হরমনের সমস্যা

★ক্ষতিকারক ওষুধ সেবন যেমন- গ্লুকোকর্টিকয়েড, ইস্ট্রোজেন, টেমোক্সিফেন ইত্যাদি

ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধের জন্য আপনার করণীয় নিয়ে জানবো এখনঃ

🌼জীবনাচার পরিবর্তনঃ চর্বিযুক্ত লিভারের চিকিৎসা করার জন্য, চিকিৎসকের দেয়া ডায়েট অনুযায়ী লাইফস্টাইল পরিবর্তন করতে হবে।

🌼খাদ্যভাস পরিবর্তনঃ কাচা ফলমূল, শাক সবজি বেশি খেতে হবে।

🌼 নিয়মিত ব্যায়াম করা

🌼ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা

🌼অ্যালকোহল, তৈলাক্ত খাবার, জাঙ্ক ফুড, প্যাকেটজাত শাকসব্জী, প্যাকেটজাত ফল, বেশি মশলা, লাল মাংস, ক্যানথাস, মিষ্টি, কেক, আচার, স্ন্যাকস, বেশি পরিমান লবন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

🌼ফ্যাটি লিভার আক্রান্ত রোগীকে রুটিন চেক আপে থাকতে হবে। যেকোন ধরনের অসঙ্গতি দেখা মাত্রই সমস্যাকে অবহেলা না করে একজন রেজিস্টার্ড এমবিবিএস চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঘরে বসে এপয়েন্টমেন্ট নিন হেলথমেন এ। ডাক্তারের পরামর্শের জন্য মেসেজ করুন m.me/healthmen.services অথবা কল করুন 01311040092 নম্বরে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
X