HealthMen

অনেকেরই পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে ও বুকে জ্বালাপোড়া ব্যাথা অনুভব হয়, খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খেলে ব্যাথা বাড়ে। এটি পেপটিক আলসার বা সাধারণ ভাষায় যাকে গ্যাস্ট্রিক বলে সেই কারনে হয়ে থাকে। এ সমস্যা হলে ক্ষুধামান্দা হওয়া, ওজন হ্রাস পাওয়া ও মারাত্নক পরিস্থিতিতে বমি হওয়া ও বমির সাথে রক্ত আসতে পারে। এরকম অসুবিধা খেয়াল করলে অবহেলা না করে দ্রুত একজন বিষেশজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন অনলাইনে হেলথমেন এঃ m.me/healthmen.services অথবা ডায়েল করে 01311040092 নম্বরে।

আসুন যেনে নেই পেপটিক আলসার আসলে কি?

পেপ্টিক আলসার হল ঘা, যা পাকস্থলীর দেয়ালের ভিতরে বা ক্ষুদ্র অন্ত্রের প্রথম অংশ (ডিওডেনামে) বা খাদ্যনালীতে দেখা দেয়। অনেক সময় এই ঘা বৃদ্ধি পেয়ে পাকিস্থলি বা ক্ষুদ্রান্ত্রকে ফুটা করে ফেলতে পারে, যার কারণে খুবই জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিভিন্ন কারণে পেপ্‌টিক আলসার হতে পারেঃ পেপ্টিক আলসারের 90% হচ্ছে এইচ. পাইলোরি নামক ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের ফল।এই ব্যাকটেরিয়াটি পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে বিস্তার লাভ করে।

পেপটিক আলসার  থেকে পরিত্রানের জন্য করনীয়ঃ

🌼 কিছু বিশেষ খাদ্যগত রুচির পরিবর্তন আনতে হবে, যেমন, মশলাদার খাবার এবং অ্যালকোহল (মদ) গ্রহণের অভ্যাস ত্যাগ করা। উপসর্গগুলোকে আরও খারাপ করতে সহায়ক হয়।

🌼 পেপ্টিক আলসারের সৃষ্টি এবং প্রতিরোধে ডায়েট এবং পুষ্টিবিধানের খুবই জরুরি, পেটে জ্বালা পোড়া হলে কম তেল জাতীয় খাবার, পানীয়-তরল এবং স্যালাইন গ্রহন করুন।

🌼 ধূমপান পেপ্টিক আলসার সৃষ্টির সঙ্গে সংযুক্ত তাই সেজন্য ধুমপান এড়িয়ে চলা উচিত।

🌼 পেপ্টিক আলসারের কারণ কোনও জীবাণুঘটিত সংক্রমণ হয় তবে অবশ্যই ডাঃ এর পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করুন।

🌼 অনেক বেশি টিনজাত খাবার খাওয়া বা খাবার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন পদার্থ / কেমিক্যাল ব্যাবহার করার ফলে গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার প্রবণতা বেশি হয়। সুতরাং এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলুন।

স্বাস্থ্যগত যেকোন সমস্যাকে অবহেলা না করে একজন রেজিস্টার্ড এমবিবিএস চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঘরে বসে এপয়েন্টমেন্ট নিন হেলথমেন এ। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন m.me/healthmen.services অথবা ডায়েল করুন 01311040092 নম্বরে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
X