HealthMen

হার্ট এটাক এবং স্ট্রোক বিষয়গুলো আমরা গুলিয়ে ফেলি। আসলে বিষয়টা কি? সাধারণত যখন ব্রেইনের কোন অংশে রক্ত সরবারহ বিঘ্নিত হয়, সেটার কারণে স্ট্রোক হয়, তখন মানুষের মুখ বেকে যাওয়া, কোন অংশে দুর্বলতা অনুভব হওয়া বা প্যরালাইসিস হওয়া ইত্যাদি সমস্যাগুলো দেখা দেয়। অন্যদিকে যখন হৃদপিণ্ডের কোনও শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। দুটিই বেশ জটিল সমস্যা, আজকে হার্ট এটাক সম্পর্কে জানব।

হার্ট এটাক কিভাবে বুঝা যায়?

❗ বুকে ব্যথা অনুভব হওয়া যা হাত, গলা, হাত, চোয়াল, ঘাড়, পিঠে এবং চারপাশে ছড়িয়া যাওয়া।

❗ বুকের মাঝে অনেক ভারী চাপ অনুভব হওয়া। মনে হয় হাতি বুকের উপর বসা

❗ শরীরে ঘাম হওয়া।

❗ বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা এবং বুক ধড়ফড়।

❗শ্বাস বা দমবন্ধ হয়ে আসা

❗ পা ফুলে, গোড়ালি, হাত বা মুখ ফুলে যাওয়া

❗ হঠাত্ ওজন বৃদ্ধি অনুভব হওয়া।

❗ কাজে অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভব হওয়া যা আগে সহজ ছিল

বয়স, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, ফ্যামিলি হিস্ট্রি, দুঃশ্চিন্ততা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলি মূলত হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। এজন্য এই সংক্রান্ত লোকদের প্রতিনিয়ত ডাক্তারের ফলো আপে থাকা প্রয়োজন। এরকম পরিস্থিতিতে হেলথমেন আছে আপনার পাশে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন অনলাইনেই যেকোনো সময়, ইনবক্স করে m.me/healthmen.services অথবা ডায়েল করে 01311040092 নম্বরে।

এখন জেনে নেওয়া যাক হার্ট অ্যাটাক হলে সাথে সাথে যা করবেন:

১. মাটিতে বসে পড়ে বিশ্রাম নিন। বেশি নড়াচড়া করবেন না।

২. দু’টি পা-কে শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে একটু উপরে রাখুন। এতে পায়ের রক্ত হার্টের দিকে প্রবাহিত হবে, এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত হবে।

৩. ধীরে ধীরে গভীর নিঃশ্বাস নিন। এর ফলে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সঞ্চারিত হবে।

৪. পরনের পোশাক একটু ঢিলে করে দিন।

৫. ওষুধ ছাড়া অন্য কিছু খাবেন না।

৬. যদি বমি হয় তবে শোওয়া অবস্থায় এক পাশ ফিরে বমি করুন। নতুবা ফুসফুসে বমির তরল প্রবেশ করতে পারে।

৭. অতিরিক্ত পানীয় পান করবেন না। তাতে সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।

৮. দ্রুত নিকটবর্তী ডাক্তারকে খবর দিন।

মনে রাখবেন নিয়মিত ব্যায়াম এবং তৈল-চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহন থেকে বিরত থেকে আপনি হার্ট এট্যাকের ঝুকি থেকে নিজেকে সুরহ্মিত রাখতে পারেন। এছাড়া স্বাস্থ্যগত যেকোন সমস্যাকে অবহেলা না করে একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
X